The Bengal ElectionOthers 

নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ ঘিরে জল্পনা

বাংলায় ভোট পর্বের প্রচার অভিযান শুরু। অন্যদিকে নির্বাচন কমিশনের নজিরবিহীন নির্দেশ ঘিরে জল্পনা। কি সেই নির্দেশ, তা নিয়েই এই প্রতিবেদন।

বিষয়টি সামনে আসতেই বিভিন্ন মতামতও উঠে আসছে। এপিক ছাড়া ২৫ শতাংশ ভোট হলেই পুনর্নির্বাচন হতে পারে। তবে ভোটের পূর্বেই এই সিদ্ধান্ত নিয়ে বিতর্কও বাড়ছে। এই নতুন নিয়মকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে প্রতিক্রিয়াও লক্ষ্য করা যাচ্ছে। প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত কার্যকর হওয়া নিয়েও মতান্তর। কি সেই নিয়ম একটু পরিষ্কার করা যাক। পশ্চিমবঙ্গের জেলার কোনও বুথে এপিক বা ভোটার কার্ড ছাড়া অন্য পরিচয়পত্রে ২৫% ভোট পড়লেই পুনর্নির্বাচনের সম্ভাবনা। নির্বাচন কমিশন এই নির্দেশ বলবৎ করতে চলেছে রাজ্যের ২০২৬ বিধানসভা ভোটে। প্রশ্নটা এখানেও থেকে যাচ্ছে! ভোট পর্ব শেষে যাচাইয়ের পর সিদ্ধান্ত কীভাবে নেওয়া হবে তা নিয়েও।

নির্বাচন কমিশনের এক সূত্র মারফৎ জানা গিয়েছে,ফর্ম ১৭A আলাদা স্ট্রং রুমে রাখা হবে। পরদিন খোলা হবে নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া মেনেই। এই বিষয়টি পর্যালোচনা ও পর্যবেক্ষণ করার জন্য উপস্থিত থাকবেন প্রশাসনিক কর্তা-ব্যক্তিরা। তাঁদের মধ্যে অন্যতম হল-(১) জেলা নির্বাচনী আধিকারিক,(২)রিটার্নিং অফিসার ,(৩)অবজার্ভার ও প্রার্থীর প্রতিনিধি প্রমুখ। এই সমগ্র প্রক্রিয়াটি ভিডিওগ্রাফি হবে বলেও জানানো হয়েছে। তবে বিষয়টি নিয়ে বিতর্কও কম হচ্ছে না।

উল্লেখ করা যায়, ভোট দেওয়ার জন্য নির্বাচন কমিশন ১২টি পরিচয়পত্রকে বৈধ স্বীকৃতি দিয়েছে। যেমন-আধার, প্যান, পাসপোর্ট ও লাইসেন্স। এক্ষেত্রে অভিযোগ ও বিতর্ক – ২৫% সীমা কেন রাখা হয়েছে?রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের প্রশ্ন ও বক্তব্য হচ্ছে, সিদ্ধান্তটা স্ববিরোধী? নির্বাচন কমিশন যে যুক্তি সামনে আনছে তা হল-প্রায় সব ভোটারের কাছেই এপিক বা ভোটার কার্ড পৌঁছে দেওয়ার প্রক্রিয়া শেষ। সেক্ষেত্রে এপিক ছাড়া বেশি ভোট পড়া “অস্বাভাবিক” বিষয়। বঙ্গে রাজনৈতিক পারদ চড়ছে। ভোটের উত্তাপের আবহে শীর্ষ আমলা বদলি করা হয়েছে। নজিরবিহীন আধাসেনা মোতায়েন প্রক্রিয়াও চলছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও বিশেষজ্ঞদের একটা অংশের মত, এই নির্বাচনে এটাই বড় প্রভাব ফেলতে পারে। নির্দিষ্ট বুথে পুনর্নির্বাচনের সম্ভাবনার, পাশাপাশি ফলাফলেও প্রভাব পড়তে পারে। ভোটারদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বার্তা হচ্ছে-এপিক কার্ড নিয়েই ভোট দিতে যান। বিকল্প আইডি ব্যবহার করলে নজরদারি বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকবেই। এই নিয়মে স্বচ্ছতা বাড়বে, নাকি বিতর্ক সৃষ্টি হবে তা নিয়েই থাকছে প্রশ্নচিহ্ন?

Related posts

Leave a Comment